জামালপুরে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। এখনো কমেনি প্রায় ১০ লাখ পানিবন্দী বন্যার্ত মানুষের দুর্ভোগ। একই সাথে ছড়িয়ে পড়ছে পানিবাহিত রোগ। সরকারিভাবে যে পরিমাণ ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত কম বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন্যা দুর্গত এলাকার অনেকেই জানান, তারা এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোন ত্রাণ সহায়তা পায়নি।

আজ বুধবার সকাল ৬টায় বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার এবং ব্রহ্মপুত্রের পানি জামালপুরের পয়েন্টে বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

একই দিন সকাল থেকে দীর্ঘসময় জামালপুরে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে জামালপুর শহরের বিভিন্ন সড়কে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। এছাড়া বিভিন্ন বাড়িতে বৃষ্টির পানি ঢুকায় দুর্ভোগে পড়েছে পৌরবাসী।

এদিকে জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলায় কামরাবাদ-নান্দিনা-মাদারগঞ্জ সড়কের একটি সেতুর ২০ মিটার ডেবে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে যান চলাচল।
অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা দুর্গতদের জন্য নতুন করে ১০০ মেট্রিক টন চাল, নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা নায়েব আলী।