সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তিন শতাধিক মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে না। বন্যার কারণে এখনও এসব মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠ পানিতে তলিয়ে রয়েছে।
সম্প্রতি এসব মসজিদ পরিদর্শন করে দেখা গেছে, মসজিদের আঙিনায় নৌকার ওপর জুমআ ও অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে মুসল্লিদের।
শনিবার বন্যাকবলিত নাটুয়ারপাড়া, খাসরাজবাড়ী, তেকানী, নিশ্চিন্তপুর, চরগিরিশ, মনসুরনগর, মাইজবাড়ী ও শুভগাছা ইউনিয়ন পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করেন ইউএনও জাহিদ হাসান সিদ্দিকী, উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী ও পিআইও এ কে এম শাহ আলম মোল্লা।
পরিদর্শনকালে তারা জানান, দুর্গম চরাঞ্চলের ৯টি ইউনিয়নের ২৯৫টি মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠ বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। যে সব এলাকায় মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠ পানির নিচে রয়েছে সে সব এলাকায় রাস্তায়, বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্রে নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি রয়েছে।
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, এবারের বন্যায় ৯টি ইউনিয়নের ২৯৫টি মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের মধ্যে ২৭১টি পানিতে তলিয়ে যায়। সরকারি হিসাব অনুযায়ী চলমান বন্যায় চরাঞ্চলের ৬টিসহ ৯টি ইউনিয়নের ৮১টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ৩৬ হাজার ৮শ’ ৭৮টি পরিবারের ১ লাখ ৬৬ হাজার মানুষ বন্যাকবলিত হয়েছে।
কাজিপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ কে এম শাহ আলম মোল্লা জানান, এখন পর্যন্ত বন্যাকবলিত এলাকাগুলোয় মোট ২৫ মেট্রিক টন চাল, ৬৯০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও নগদ ৪০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।



