খাগড়াছড়ির রামগড়ে পুত্রবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আবদুর রাজ্জাক (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার ভুক্তভোগী নারী শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আজ মঙ্গলবার শ্বশুরকে গ্রেফতার করে রামগড় থানা পুলিশ। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

গ্রেফতারকৃত আবদুর রাজ্জাক (৫০) রামগড় ১নং ইউনিয়নের হাতীরখেদা এলাকার মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহারে পুত্রবধূ অভিযোগ করেন, গত মার্চে তার শ্বশুর আসামি মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের বড় ছেলে কাভার্ড ভ্যানের হেলপার মোহাম্মদ ইউসুফের সাথে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকমাস পর তার স্বামী কাজে গেলে তার শ্বশুর বিভিন্ন সময় অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তাকে মোবাইল ফোনে লোভ-লালসা দেখিয়ে কু-প্রস্তাব দেয়। ঘটনার দিন ৫ আগস্ট বিগত রাত ১০টায় তার শ্বশুর জোরপূর্বক তার হাত এবং কাপড় ধরে টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে ঘটনাটি পরিবারের সবাইকে জানানো হলে স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়। যার ফলে থানায় অভিযোগ করতে বিলম্ব হয়।

১নং রামগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম মজুমদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। উভয়পক্ষ পারিবারিকভাবে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশে বসলেও কোনো মীমাংসায় আসতে পারেননি। পরে থানার আশ্রয় নেন।

রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, সর্বপ্রথম উভয়পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে থানায় আসে। পরবর্তীতে আসামি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক তার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দেয়ার কল রেকর্ডটি সম্মুখে এলে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন আইন’ এর ১০ ধারায় মামলা দায়ের এর অভিযোগ গ্রহণ করা হয় এবং তাৎক্ষণিক তার শ্বশুরকে গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করা হয়।