দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ কেন্দ্রিয় শালখুরিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানার মুসা মিয়া (৮) নামে এক ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে মাদ্রাসার উত্তর-পশ্চিম কোনের প্রায় ৪০০ গজ দূরে পানি প্রবাহের একটি ক্যানেল থেকে তার লাশটি উদ্ধার করা হয়।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থাসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জানা গেছে, মুসা মিয়া মাদ্রাসায় থেকে পড়াশোনা করত।

মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীর জানান, রোববার ফজরের নামাজের আগে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে মুসা মিয়াও ঘুম থেকে উঠে ওজু সেরে ফজরের নামাজ আদায় করে। এরপর সকল শিক্ষার্থী পড়তে বসলে আমি সেখানে গিয়ে মুসা মিয়াকে অনুপস্থিত দেখতে পাই। এরপর তার খোঁজ করতে থাকি। এক পর্যায়ে শালখুরিয়া গ্রামের কৃষক শাহিনুর ইসলাম মাঠে জমির ফসল দেখতে গিয়ে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন এবং মাদ্রাসায় সংবাদ দেন।

মুসা মিয়ার সহপাঠি মুরসালিন ও আবির হোসেন জানান, তাদের সাথে মুসা মিয়া ঘুম থেকে উঠে ওজু করতে গিয়েছিলেন। পড়তে বসে তাকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। পরে তারা তার লাশ পড়ে থাকার সংবাদ পান।

এদিকে পুলিশ ছাড়াও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা শুভ্র প্রকাশ চৌধুরী, দিনাজপুরের সিআইডি ও পিবিআইয়ের সদস্যগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

দিনাজপুর সিআইডির উপ পরিদর্শক রোকনুজ্জামান ও পি বি আইয়ের পরিদর্শক ছিদ্দিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে এটাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি অশোক কুমার চৌহান জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলা গ্রহণ করার প্রস্তুতি চলছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।