টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে যাত্রীবাহী স্পিডবোট ও ফিশিং ট্রলারের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সুমাইয়া নামের এক শিশু নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় ৫ যাত্রী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালীপাড়া বিজিবি চেকপোস্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় রশিদা বেগম (৬৫) নামের স্পিডবোটের যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। তিনি সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়ার বাটু মিয়ার স্ত্রী। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মেহেরুননেছা নামের আরেকজন মারা যান।
আহত মামুন, মো: আমিন, জাহারো বেগম, সোহেল ও মমতাজ বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা চিকিৎসাধীন।
স্পীডবোটে থাকা আহত যাত্রীরা জানান, টেকনাফ পৌরসভার কেকে ঘাট থেকে আটজন যাত্রী নিয়ে কাইছার নামে এক চালক সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওয়ানা করে। রওয়ানার কিছুদূর পর বিজিবি চেকপোস্ট পার হওয়ার পর পরই সামনে থাকা ফিশিং ট্রলারের সাথে ধাক্কায় যাত্রীসহ স্পীডবোট উল্টে যায়।
আহতদের মধ্যে ৬ যাত্রী টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে একজন মারা যান। বাকি ৫ জনের চিকিৎসা চলছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ সুমাইয়া উদ্ধার হয়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ।



