চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার শিকারী মডেল বালিকা বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ শ্রেণী কগুলো ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী থাকলেও করোনা মহামারীর কারণে বন্ধ থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পেয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে বিদ্যালয়ের পাঁচটি পুরনো টিনশেড শ্রেণী কক্ষও ভেঙে পড়েছে। যেকোনো সময় বিদ্যালয় সচল হলে খোলা আকাশের নিচে ঠাঁই হওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।
ভোলাহাট সদর ইউনিয়নে কোনো বালিকা বিদ্যালয় না থাকায় নারী শিার অগ্রগতির জন্য এই বালিকা বিদ্যালয় স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৯ বছর ধরে বিনা বেতনে কোনো ধরনের ভাতা ছাড়াই ১২ জন শিক-কর্মচারী বিদ্যালয়টি পরিচালনা করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে শিকারী মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত হয়। কিন্তু বিদ্যালয়টিতে পাঠদানের কোনো পাকা ভবন না থাকায় টিন ও খড়ের তৈরি জরাজীর্ণ ভবনে এতদিন পাঠদান চলছিল।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা বিশ^াস সুজন জানান, বিদ্যালয়ের পুরনো ভবন জরাজীর্ণ হওয়াতে টানা বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে। এখন বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি পাঠকক্ষ প্রয়োজন। অন্যথায় খোলা মাঠে পাঠ দান ছাড়া অন্য কোনো উপায় দেখছেন না তিনি। বিদ্যালয়ের জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে প্রধানন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা।
ভোলাহাটে বিদ্যালয়ের ভরসা খোলা মাঠ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার শিকারী মডেল বালিকা বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ শ্রেণী কগুলো ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী থাকলেও করোনা মহামারীর কারণে বন্ধ থাকায় বড়...



