বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, সীমাহীন দুর্নীতিতে লিপ্ত আছে আওয়ামী লীগ সরকার। মামলা-হামলা, জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন করে বেশি দিন ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। এ সরকারের পতন হবেই।
তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে তার নির্বাচনী এলাকার মানিকপুরের গ্রামের বাড়িতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, পৌরসভা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদল ও দলীয় সহযোগী সংগঠনের এক যৌথসভা চলাকালে টেলি কনফারেন্সে উপরি উক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি আরো বলেন, দেশে যে দুর্যোগ চলছে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সর্বত্র দুর্নীতির মহা উৎসব চলছে; এতে জনগণ কঠিন সময় পার করছে। এ সরকার শেষ সরকার নয়, লাগামহীন দুর্নীতির কারণে এ সরকারের পতনও সময়ের ব্যাপার। এ জন্য দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের পাশে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
যারা দলের মধ্যে বিভেদ ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে তাদের বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এদের শোধরানোর সময় দেয়া হলো। এর পরও তারা যদি দলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীরা সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে এ ধরনের অপকর্ম করে যাচ্ছে।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র কামাল উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান রিপনের সঞ্চালনায় যৌথসভায় বক্তব্য রাখেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নুরুল আমিন নুরু চেয়ারম্যান, আবদুল মতিন তোতা চেয়ারম্যান, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল হাই, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হোসেন ছগির, প্রচার সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আবদুল মতিন লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, উপজেলা যুবদলের সভাপতি ফজলুল কবির ফয়সল, সাধারণ সম্পাদক জাহেদুর রহমান রাজন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতোয়ার হোসেন পাভেল, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ, মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাফেজ আবদুল হক শাহজাহান, রামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম বুলবুল মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বেলাল, চরকাঁকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোশারেফ হোসেন বাহার প্রমুখ।
যৌথসভা শেষে বিএনপি নেতৃবৃন্দ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বিএনপির উপজেলা কমিটির সাবেক সভাপতি আবদুল হাই সেলিম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম সিকদার কখনো দলীয় শৃঙ্খলা মোতাবেক কোনো দলীয় কর্মকাণ্ড করেননি। উপরি উক্ত দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে সরকারি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে লিপ্ত ছিলেন। তারাই এখন দলীয় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং কোন্দল, উপকোন্দল সৃষ্টি করে দলকে বিভাজন করে রেখে সরকারি দল থেকে ফায়দা লুটছে। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় নির্বাচনগুলোতেও সরকারি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে নিজেদের পকেট ভারী করেছেন। পরবর্তীতে দল নেতৃত্বশূন্য হলে দলের সব কাউন্সিলর-ডেলিগেটদের ডেকে নিয়ে তাদের পরামর্শক্রমে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ যে কমিটি করে দিয়েছেন সে কমিটিই এখন দলীয় সব কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আমরা সবাই ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের নেতৃত্বে দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর আনুগত্য রেখে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম, আছি এবং থাকব।
দুর্নীতিবাজ সরকারের পতন হবেই : ব্যারিস্টার মওদুদ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, সীমাহীন দুর্নীতিতে লিপ্ত আছে আওয়ামী লীগ সরকার। মামলা-হামলা, জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন...



