কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে গিয়ে দখলদারদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উচ্ছেদ অভিযানে গেলে এ ঘটনা ঘটে। দখলদারদের আক্রমণের মুখে একপর্যায়ে পুলিশ পিছু হটলেও সূর্যাস্তের আগেই অবৈধ ৫২টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া সম্ভব হয়। আহত যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক রাসেলকে সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আহত অন্যদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) পংকজ বড়–য়া, কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনির-উল গীয়াস, স্থানীয় সাংবাদিক ইকবাল বাহার, জিটিভির ক্যামরাপারসন সাঈদুল ইসলাম রয়েছেন। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবারের অভিযান বাধার মুখে পণ্ড হওয়ার পর কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে গতকাল আবারো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালায়।
অভিযানে ছিলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ, কক্সবাজার সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ শাহরিয়ার মোক্তার, কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মুনির-উল গীয়াসের নেতৃত্বে উচ্ছেদ টিম। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম জানান, অবৈধ দখলদারেরা পুলিশের প্রতি বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল ছুড়ে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে টিয়ার শেল, রাবার বুলেট ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। এতে দখলদারেরা পিছু হটলে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে দেয়া হয়। পরে পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। দখলকারীদের মধ্যে নেতৃত্ব দেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবদুর রহমান, হাজী জসিম উদ্দিন,যুবদল নেতা আমিনুল ইসলাম মুকুল,জয়নালসহ আরো অনেকে।