রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ৯ নম্বর কান্দি ইউনিয়নের দাদন গ্রামের দুই জীবিত ব্যক্তিকে দেয়া হয়েছে মৃত সনদপত্র। পরে অভিযোগের প্রেক্ষিতে রংপুর জেলা প্রশাসক তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় সূলভ মূল্যের একটি করে কার্ড ছিল তাদের নামে। যা এত দিন জানতেন না তারা। পরে তাদেরকে মৃত হিসেবে দেখিয়ে তাদের নামের কার্ডগুলোর সুবিধা ভোগ করছিলেন অন্য কেউ। তারা খোঁজখবর নিয়ে দেখেন ৯ নম্বর কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত একটি সনদপত্রে তাদেরকে মৃত দেখানো হয়। এবং তাদের নামে থাকা কার্ডগুলো চেয়ারম্যানের নিজের লোকদেরকে দেয়া হয়। অথচ তারা উভয়েই জীবিত আছেন। পরে তাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্ত করেন।
অভিযোগকারীরা হলেন, কান্দি ইউনিয়নের দাদন গ্রামের মো. শরিফ উদ্দিনের স্ত্রী মোছা. জাহেদা খাতুন ও একই গ্রামের তছির উদ্দিনের ছেলে মো. আব্দুস সামাদ।
এ সময় তদন্তকারী উপজেলা খাদ্র কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন নয়া দিগন্তকে বলেন, অভিযোগকারীদের অভিযোগ সঠিক। আমি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।



