নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার আমান উল্যাহ পুরে চাঁদার দাবিতে যুবলীগের নেতাকর্মীদের অপহরণ ও বেধড়ক পিটুনিতে এক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে মাইজদীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাতে উপজেলার আমান উল্যাহ পুর ইউনিয়নে কেজি হাই স্কুলের সামনে। পুলিশ এ ঘটনার সাথে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করেছে।

আহত ব্যবসায়ী কফিল উদ্দিন (৩০) ওই ইউনিয়নের আইয়ুব পুর গ্রামের পন্ডিত বাড়ির লিয়াকত উল্যার ছেলে এবং স্থানীয় আমান উল্যাপুরের শ্যামবাড়ী দরজার একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

আর গ্রেফতারকৃত রায়হান (২৮) একই ইউনিয়নের অভিরামপুরের মোরশেদ আলমের ছেলে।

জানা যায়, যুবলীগের স্থানীয় নেতা জুয়েল, বাবু ও রায়হান ওই ব্যবসায়ীর কাছে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। কফিল উদ্দিন চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা ক্ষিপ্ত হয় ওঠে। ওইদিন রাতে বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা যুবলীগের নেতাকর্মীরা কফিল উদ্দিনকে মোটরসাইকেল যোগে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। এসময় মোবাইল ফোন ও টাকা নিয়ে তাকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় কফিল উদ্দিনকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

এলাকাবাসী জানান, স্থানীয় যুবলীগের জুয়েল, বাবু ও রায়হানের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ নানা অপকর্মে জড়িত তারা। সরকারি দলের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার আশ্রয়ে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসী এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।

এ ব্যাপারে বেগমগঞ্জ থানার ওসি কামরুজ্জামান শিকদার জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ রায়হান নামক একজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।