পূর্বশত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়ন যুবলীগ সহসভাপতি সুজন মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। গত ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের কেরেঙ্গাপাড়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল জলিলের বিরুদ্ধে প্রায় দুই বছর আগে কেরেঙ্গাপাড়া গ্রামের জনৈক প্রতিবন্ধীর প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড প্রদানে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে। ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় ইউপি সদস্য আবদুল জলিলের সাথে স্থানীয় যুবক সুজন মিয়া ও ফারুকের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ইউপি সদস্য আবদুল জলিল তার লোকজন নিয়ে সুজনের মুদি দোকানে গিয়ে তার ওপর হামলা চালান। তাদের প্রতিহত করতে এলে সুজনের ছোট ভাই সুমন, ছোট ভাইয়ের স্ত্রী উর্মি, মা ফরিদা ইয়াসমিন, ছোট ভাই রাজুসহ বেশ কয়েকজন আঘাতপ্রাপ্ত হন। ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।
সেখানে মাথায় অস্ত্রোপচারের পর বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হলে সুজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবার তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে আইসিইউতে রাখা হয়। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সে মৃত্যুবরণ করে।
এ দিকে হামলার ঘটনায় উভয়পক্ষ থেকে পৃথক মামলা করা হলে ইউপি সদস্যের পক্ষের দু’জন আদালত থেকে জামিনে এসেছেন। পলাতক রয়েছেন ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বছির আহমদ বাদল জানান, এ বিষয়ে আগের করা হত্যাচেষ্টার মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।