দাতা ভোটার সদস্য নির্বাচিত করতে দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহের ত্রিশালের ধলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল বাতেনের বিরুদ্ধে।
বিধি অনুসরণ করে দাতা ভোটার সদস্য নির্বাচিত করতে রোববার দুপুরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বরাবর বর্তমান কমিটির পাঁচ সদস্য, সাবেক সদস্য ও অর্ধশত অভিভাবকের স্বাক্ষর সম্বলিত
লিখিত অভিযোগ জমা দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, নির্মাণাধীন ভবনের বিষয়ে জরুরি কাজে রেজুলেশন করা লাগবে বলে একই দিনে, নোটিশ ও অলিখিত রেজুলেশন খাতায় ম্যানেজিং কমিটির ১০ সদস্যের মধ্যে ৮ সদস্যদের
স্বাক্ষর নেয়া হয়। পরবর্তীতে গত ২৯ অক্টোবর রেজুলেশন লিখে দাতা ভোটার সদস্য হিসেবে নজরুল ইসলামের নাম সংযোজন করে তা পাস দেখানো হয়। গভর্নিং বডির দাতা ভোটার
সদস্য নির্বাচনের জন্য গভর্নিং বডির কোনো সভা কিংবা অনানুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা ছাড়াই জালিয়াতির মাধ্যমে দাতা ভোটার সদস্য নির্বাচিত করার ঘটনায় ধলা স্কুল অ্যান্ড
কলেজের ম্যানেজিং কমিটিতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়।
ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আজিজুল হক বাবুল, আবদুল আওয়াল, রিনারা খাতুন, আবদুছ ছাত্তার ও আবুল হোসেন মণ্ডল লিখিত বক্তব্যে জানান, গভর্নিং বডির দাতা ভোটার সদস্য
নির্বাচনের জন্য গভর্নিং বডির কোনো সভা কিংবা অনানুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয় নাই।
দাতা ভোটার সদস্য নির্বাচনের বিষয়টি কমিটির সদস্যদের কাছে গোপন রেখে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছিল কি না, জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন কোনো সদুত্তর দিতে
পারেননি। তবে জালিয়াতির বিষয়টি অস্বীকার করে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল বাতেন বলেন, নিয়মের মাধ্যমেই দাতা ভোটার সদস্য নির্বাচন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ঝিল্লুর রহমান আনম বলেন, অলিখিত রেজুলেশন খাতায় বা সাদা পাতায় স্বাক্ষর দেয়া বা নেয়া দুটোই অপরাধ ও কাণ্ড জ্ঞানহীনের পরিচয়।
ত্রিশালে কলেজ সভাপতির বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ
দাতা ভোটার সদস্য নির্বাচিত করতে দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহের ত্রিশালের ধলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল বাতেনের বিরুদ্ধে। বিধি অনুসরণ করে...



