গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার বলেছেন, দেশে এমন অশান্তি দেখার জন্য যুদ্ধ করিনি। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে সবাই মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে উন্মুক্ত বিহঙ্গের মতো থাকব এই আশায় মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। কিন্তু পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ ও স্বৈরশাসনের কবলে আমাদেরকে অশান্তির মধ্যে ডুবে থাকতে হবে এমনটি আশা করিনি। রাতের অন্ধকারে ভোট ডাকাতি হবে এবং দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করবে, দেশ দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত হয়ে থাকবে এমন দৃশ্য দেখার জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধ করিনি। তিনি বলেন, মানুষের বাকস্বাধীনতা, ভোটের অধিকার তথা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদেরকে আরেকটি সংগ্রাম করতে হবে। আর গুলি করে মারার নাম সংগ্রাম নয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলার নাম সংগ্রাম। তাতে যদি গুলি খেয়ে মরতে হয় কোনো আপসোস নেই, শহীদী মৃত্যু কত জনের ভাগ্যে হয়। তবুও সত্যের পক্ষে এবং অন্যায়-অসত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যেতেই হবে। যদি থাকে নসিবে, আপনা আপনিই আসবে।
তিনি বুধবার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর বিএনপির এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। শহরের রাজবাড়ী রোডস্থ দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে মহানগর বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট ড. মো: সহিদউজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ডা: মাজহারুল আলম, গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: সোহরাব উদ্দিন। অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সহসভাপতি প্রফেসর নজরুল ইসলাম, আনোয়ারুল ইসলাম, শওকত হোসেন সরকার, বসির আহমেদ বাচ্চু, সাইফুল ইসলাম টুটুল, শাহাদাত হোসেন শাহীন, মোতালেব হোসেন, সাজ্জাদুর রহমান মামুন, মইজ উদ্দিন তালুকদার, বাপ্পি দে, শাহাদাত হোসেন, মনির হোসেন বকুল, মনির হোসেন মনির, নূরুল ইসলাম, জলিল আহমেদ, রবিউল ইসলাম, আবদুর রহিম মিয়া, মনিরুল ইসলাম বাবুল, ফারুক হোসেন খান, আবদুর রাজ্জাক রাজ, মোখলেসুর রহমান ভূঁইয়া, আবুল হাসেম, নজরুল ইসলাম মোড়ল, মো: ইদ্রিস, রাতুল সরকার, সেলিম রেজা প্রমুখ।



