খাগড়াছড়িতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি বলেছেন, ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আওতায় সারা দেশে এক লাখ লোক ই-পাসপোর্ট হাতে পেয়েছে। ৬৪টি জেলার মধ্যে ৭২টি পাসপোর্ট আঞ্চলিক অফিস ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ছয়টি জেলায় সবশেষ ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের সমাপনী অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ই-কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হেফাজতে ইসলাম সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র্র্রমন্ত্রী বলেন, হেফাজতে ইসলাম নিজেরা নিজেরাই মামলা করেছে। বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিচার বিভাগই এ মামলা দেখবে। ভাস্কর্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বাংলাদেশের সম্পদ। এ ভাস্কর্য রক্ষা করা সকল নাগরিকের দায়িত্ব।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম নিয়ে আরো বলেন, পাসপোর্ট তৈরীতে কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয়, এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ হিসেবে, আমরা এ কার্যক্রম শুরু করেছি। সবাই ঘরে বসে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ূব চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র সচিব তৌহিদুজ্জামান, ই-পাসপোর্ট প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান, খাগড়াছড়ির সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, মহিলা এমপি বাসন্তী চাকমা।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ির গুইমারা রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: শাহরিয়ার জামান, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস, পুলিশ সুপার মো: আবদুল আজিজ প্রমুখ।

ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করা ছয়টি জেলা হলো খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ। মন্ত্রী বেলুন উড়িয়ে ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ছয়টি জেলার ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।