ভোট আগামী ১৬ জানুয়ারি। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে মনোহরদী পৌরসভার ১৩ হাজার ৭৯৮ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। বেছে নেবেন পৌরপিতা। দেশের বৃহত্তম দুই রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীসহ মোট চারজন প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পৌরবাসীর মনে প্রশ্ন কে হচ্ছেন পৌরপিতা?
জনগণের মনের এই প্রশ্নের সমাধানের জন্য ইতোমধ্যে সকল প্রার্থী বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে মোট ৯ টি ভোটকেন্দ্রের ৪০টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে।
এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থীরা হলেন- আ’লীগ থেকে উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ সুজন (নৌকা)। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক (ধানের শীষ)। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আবদুল মান্নান (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র আলফাজ উদ্দিনের ভাতিজা ইমরান আহমেদ (মোবাইল ফোন)।
এ ছাড়া ৯টি ওয়ার্ডে মোট ৩০ জন প্রার্থী কাউন্সিলর এবং ৩টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সরেজমিনে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রার্থীদের ছবি এবং প্রতীকসম্বলিত পোস্টার টানানো হয়েছে পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক, মোড় এবং বাজারে। টানানো হয়েছে ব্যানার। কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের কাছে। দিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন ধরনের প্রতিশ্রুতি। পাড়া-মহল্লা এবং মোড়ে প্রার্থীদের নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সব মিলিয়ে মনোহরদী পৌরসভার নির্বাচনী মাঠ এখন গরম।
এ দিকে সাধারণ ভোটাররা ভাবছেন অধিকার ও উন্নয়নের কথা। পৌর উন্নয়ন আর সাধারণ নাগরিক সুবিধা যাদের কাছ থেকে পাবে তাদেরকেই তারা ভোট দেয়ার কথা ভাবছেন। কিন্তু ভোট বাধামুক্ত হওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন ভোটাররা। কেন্দ্রে ভোট হবে নাকি বরাবরের মতো কেন্দ্র দখল আর ভোট বর্জনের দৃশ্য আবার দেখতে হবে এই প্রশ্ন সবার মুখে। মোতাহার হোসেন সরদার নামে এক ভোটার বলেন, সুখে-দুখে যাকে কাছে পাবো তাকেই ভোট দোবো। তবে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার নিশ্চয়তা চাই। এ দিকে ভোটারদের চাহিদা অনুযায়ী পৌরসভার সকল নাগরিকের সাধারণ সুবিধা দেয়ার প্রতিশ্রুতির কথা দিয়ে ভোট চাচ্ছেন মেয়র প্রার্থীগণ। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ইমরান আহমেদ বলেন, ভোটারদের কাছে যাচ্ছি। বেশ সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
আ’লীগ থেকে মনোনীত বতমান মেয়র আমিনুর রশিদ সুজন বলেন, প্রথমবার মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। কোভিড-১৯ এ লকডাউনের সময় কর্মহীন অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করেছি। বিজয়ী হলে মানুষের পাশে থাকব।
বিএনপি থেকে মনোনীত মেয়র প্রার্থী মাহমুদুল হক বলেন, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। মানুষ ভোটাধিকার নিয়ে চিন্তিত। ভোটাধিকারের সাথে অন্যান্য অধিকারো মানুষ হারাচ্ছে। সব অধিকার নিশ্চিত করতে মানুষ বিএনপিকে ভোট দেবে ইনশা আল্লাহ।
কে হচ্ছেন মনোহরদীর পৌরপিতা
ভোট আগামী ১৬ জানুয়ারি। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে মনোহরদী পৌরসভার ১৩ হাজার ৭৯৮ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। বেছে নেবেন পৌরপিতা। দেশের বৃহত্তম দুই রাজনৈতিক দলের...



