মাগুরা সদরের দ্বারিয়াপুর গ্রামের নবগঙ্গা নদীর পাশ থেকে আগুনে পোড়া অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।
মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তারেক আল মেহেদি জানান, সোমবার সকালে মাগুরা সদর উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নের দ্বারিয়াপুর গ্রামে আগুনে পোড়া লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন এলাকাবাসী। সংবাদ পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার ও আলামত সংগ্রহ করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ভাঙ্গা একটি মোবাইল ও এক জোড়া জুতা জব্দ করা হয়। আগুনে পুড়িয়ে ফেলার কারণে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হবে। সোমবার ভোর রাতের কোনো এক সময় ওই ব্যক্তিকে দুই হাত ও পা কেটে শরীরে আগুন দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই ও সিআইডি তদন্ত করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই হত্যার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
হাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল হক আখরোট বলেন, সকালে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারি আগুনে পোড়া অবস্থায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে আছে। পুড়ে যাওয়ার কারণে লাশ চেনার কোনো উপায় নেই। লাশ শনাক্ত করতে পারলে হত্যার ঘটনা জানা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা জানান, ঝিনাইদহের বাজার গোপালপুর গ্রাম থেকে হাত- পা বাঁধা অবস্থায় এক মাদরাসাশিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোর সকালে ইসমাইল হোসেন সুজন (৩২) নামে এক মাদরাসাশিক্ষককে উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার হলিধানী গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে এবং চার বছর ধরে বড়বাড়ি নূরানী মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। চাকরির সুবাদে বাজার গোপালপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের বাড়িতে তিন বছর ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। তার এক ছেলে সন্তান রয়েছে।
বাজার গোপালপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মনিরুজ্জামান জানান, বাজার গোপালপুর বড়বাড়ি নূরানী দাখিল মাদরাসার প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন সুজনের ঘরে হাত-পা বাঁধা ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় প্রতিবেশীরা। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তাকে হাত-পা বেঁধে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা পরিবার ও স্থানীয়দের।