নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধষর্ণে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন এক বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী (২৩)। শুক্রবার দুপুরে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে ফারুক হোসেনকে (৩০) কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
ফারুক হোসেন উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের চর হাসান গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে।
শুক্রবার ভোররাতে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থেকে অভিযুক্ত ফারুক হোসেনকে আটক করে চরজব্বর থানা পুলিশ। এর আগে ভুক্তভোগী তরুণীর মা বুধবার সুবর্ণচর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম একজন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী। তার মা মানুষের বাড়িতে কাজ করে প্রতিবন্ধী মেয়ে ও স্বামীর সংসার চালান। প্রতিবন্ধী মেয়েকে দু’বছর আগে নোয়াখালী চৌমুহনী এলাকার এক ব্যক্তির সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের এক বছর পর স্বামী প্রতিবন্ধী স্ত্রীর কোনো খবর রাখেন না। শ্বশুর বাড়িতেও আসেন না।
ফারুক ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর প্রতিবেশী। একপর্যায়ে বাকপ্রতিবন্ধী ওই তরুণীর ওপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে ফারুকের। কয়েক মাস আগে ভুক্তভোগী তরুণীর মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে ফারুক ভিকটিমের রান্না ঘরে ঢুকে তরুণীকে ধর্ষণ করেন। মেয়ে প্রতিবন্ধী হওয়ায় চিৎকার দিতে পারেননি। কাউকে কিছু বলতেও পারেননি।
গত বুধবার সকালে মেয়ে পেটের ব্যথায় কান্নাকাটি করলে তার মা তাকে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি ইশারায় তার পেটে বাচ্চা রয়েছে বলে জানান। বাচ্চা কীভাবে এলো জিজ্ঞাসা করলে তিনি তার মাকে ফারুকের ধর্ষণের বিষয়টি ইশারায় বুঝিয়ে দেন। ভুক্তভোগীর পরিবার আলট্রাসনোগ্রাফি করিয়ে জানতে পারেন মেয়ে তিন সপ্তাহ তিন দিনের অন্তঃসত্ত্বা।
চরজব্বর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো: ইব্রাহীম খলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক আসামিকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।



