প্রযুক্তির উৎকর্ষতার ফলে যন্ত্র সভ্যতার যাঁতাকলে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে প্রাচীন কৃষিযন্ত্র সেঁউতি ও ডোঙা। একসময় গ্রামবাংলার কৃষিতে সেচযন্ত্র হিসেবে টিন বা বাঁশের তৈরি সেঁউতি ও ডোঙার ব্যাপক চাহিদা ছিল। আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি আবিষ্কারের ফলে দিনদিন হারিয়ে যেতে বসেছে চিরচেনা এসব কৃষি উপকরণ। কৃষকরা আদিকাল থেকেই চিন্তাচেতনার ফসল হিসেবে আবিষ্কার করেছিল এ সেঁউতি ও ডোঙা। এরই ধারাবাহিকতায় এখনো দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে নদী থেকে জমিতে সেচ দিতে সেঁউতি ও ডোঙার ব্যবহার হচ্ছে। এতে করে কৃষকরা আর্থিকভাবে সাশ্রয় পাচ্ছেন।
ইছামতি, কাঁকড়া, ভেলামতি, আত্রাই, বেলান নদী এ উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে।
সাতনালা ইউনিয়নের খামার সাতনালা গ্রামের হেদলাপাড়ার কৃষক ইসমাইল হোসেন (৬৪) জানান, ডোঙা দিয়ে পানি সেচ কায়িক পরিশ্রম হলেও সেচের মাধ্যমে কাউকে ফসলের ভাগ দিতে হয় না। জমিতে যে ফসল ফলে তাই ঘরে ওঠে।