ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ধর্ষণের মামলা করতে চাওয়ায় রাবিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। রাবিয়া আক্তার হত্যা মামলায় আটক কামাল ফকির বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে উঠে আসে ভয়ঙ্কর ওই তথ্য।

মঙ্গলবার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। পরে রাবেয়ার স্বজনরা তার লাশ শনাক্ত করে মামলা দায়ের করলে বুধবার রাতে উপজেলার কাঁঠালডাংরী এলাকা থেকে কামাল ফকিরকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের সুন্দাইলপাড়া গ্রামের হাদিস মিয়ার মেয়ে রাবিয়া (২৮) তালাকপ্রাপ্ত ছিলেন। তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে নান্দাইল উপজেলার উত্তর পালাহার গ্রামের আবুল হাসেম ফকিরের ছেলে কামাল ফকিরের। ওই সম্পর্কের রেশ ধরে কামালের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ধার নেন রাবিয়া। টাকা চাইতে গেলে ধর্ষণ মামলা দিতে চান রাবিয়া। গত সোমবার কৌশলে রাবিয়াকে নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে যায় কামাল।

মঙ্গলবার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের মা গত মঙ্গলবার রাতে লাশ শনাক্ত করে মামলা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের পর আত্মগোপনে গিয়েছিলেন কামাল ফকির।

ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘আদালতে জবানবন্দির পর কামালকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’