মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ৯৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিøপ ফান্ডের টাকায় উপকরণ কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে এটিইও ফারুক হোসেনসহ শিক্ষা অফিসের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন আমলে নিয়ে গেলো বছরের ৮ অক্টোবর ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। গঠিত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বেঁধে দেয়া হয়। এর পর ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি।
এখন পর্যন্ত রিপোর্টটি রয়েছে লাল ফিতায় বন্দী। তবে ওই তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিরাজ-উদ-দৌল্লাহ জানিয়েছেন, স্বচ্ছ তদন্তের স্বার্থে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটির স্থলে দু’জন জনপ্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করে ৫ জন করা হয়েছে। আমি ছাড়াও কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেনÑ একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী সরফরাজ হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রাসেল মিয়া, তালেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান রমজান আলী ও জয়মন্টপ ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জি: শাহাদৎ হোসেন। তদন্ত কাজ শেষ হলেও করোনাকালীন লকডাউনের কারণে রিপোর্ট দিতে দেরি হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলেও তিনি জানান।
তদন্ত কমিটির সদস্য সরফরাজ হোসেন বলেন, তদন্ত রিপোর্ট প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের ব্যস্ততার কারণেই বিলম্ব হচ্ছে। জয়মন্টপ ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জি: শাহাদৎ হোসেন জানিয়েছেন, সিøপ ফান্ডের টাকায় উপকরণ কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেছে। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ বস্তুনিষ্ঠ।
এ দিকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সিøপ ফান্ডের টাকায় উপকরণ কেনাকাটায় অনিয়ম-দুর্নীতির আগে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ক্রয়েও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও ঘটনার মূলহোতা সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিইও) ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও সে অভিযোগ ধামাচাপা দেয়া হয়। এবার সিøপের টাকায় কেনাকাটার অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হয়।