কুমিল্লার দেবিদ্বারে গোমতী আবাসিক (বানিয়াপাড়া) এলাকার একটি আবাসিক ফ্ল্যাট থেকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় তাসলিমা আক্তার (৩৬) নামে এক গৃহবধূর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে দেবিদ্বার থানা পুলিশ। সে মুরাদনগর উপজেলার দক্ষিণ নোয়াগাঁও গ্রামের হোসেন মিয়ার মেয়ে।
এই ঘটনায় দেবিদ্বার থানা পুলিশ একটি মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে নিহত গৃহবধূর স্বামী হাবিবুল্লাহকে (৩৪) আটক করছে। সে দেবিদ্বার উপজেলার ওয়াহেদপুর গ্রামের আবদুস সালাম মিয়ার ছেলে। পেশায় একজন সিএনজি চালক। তাদের ৬ মাসের রাফি নামের একটি ছেলে রয়েছে।
জানা যায়, দেবিদ্বার পৌরসভার সাবেক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাজী আবদুল ওয়াহেদের মালিকানাধীন বাড়ি ‘পুষ্পকুঞ্জ’র চতুর্থ তলার পূর্ব পাশের ফ্ল্যাটটি চলতি মাসে ১৮ তারিখ স্বামী-স্ত্রী ও একটি কন্যাসন্তান নিয়ে ভাড়া নেয়। বেশ কয়েক দিন তাদের ফ্ল্যাটটি তালাবদ্ধ ছিল।
পুলিশ এসে তালা ভেঙে খাটের ওপর থেকে খয়েরি রঙের বোরকা পরিহিত ওই মহিলার লাশ উদ্ধার করে থানা নিয়ে যায়। পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল তল্লাশি করে একটি মোবাইল ফোন পায়। সেই ফোনের সূত্র ধরে তার পরিচয় শনাক্ত করে রাতে অভিযান চালিয়ে নিহত গৃহবধূর স্বামীকে আটক করে।
নিহত গৃহবধূ তাসলিমা আক্তারের ভাই সজিবুর রহমান জানান, গত ২৪ এপ্রিল সে জানায়, আমার বোন বাজারে যাওয়ার পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক খোঁজাখুঁজি করে মুরাদনগর থানায় ২৭ এপ্রিল একটি নিখোঁজ ডিজি করা হয়। নিহত তাসলিমা আক্তারের প্রথম সংসারের বড় ছেলে কাতার প্রবাসী সাগর আহাম্মেদ মোবাইল ফোনে জানান, আমার মাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে আমার বাবা ও তার সহযোগীরা। প্রশাসনের নিকট আমার মায়ের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।
স্ত্রীকে হত্যা করে শ্বশুর বাড়িতে ওঠেন স্বামী
কুমিল্লার দেবিদ্বারে গোমতী আবাসিক (বানিয়াপাড়া) এলাকার একটি আবাসিক ফ্ল্যাট থেকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় তাসলিমা আক্তার (৩৬) নামে এক গৃহবধূর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে দেবিদ্বার...



