রংপুরের মিঠাপুকুরে নিখোঁজের এক দিন পর প্রতিবেশীর ঘরে মিলেছে শিশু রহিমার লাশ। বৃহস্পতিবার উপজেলার বুজরুক সন্তোষপুর গাছুয়াপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ঘরের মেঝে খুঁড়ে রহিমার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় আবু তালেবের স্ত্রী হালিমা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে রবিউল ইসলামের মেয়ে রহিমা খাতুন (১০) মায়ের কাছে ১০ টাকা নিয়ে খাবার কেনার জন্য দোকানে গিয়ে নিখোঁজ হয়। রাতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করার পরও তার খোঁজ পাওয়া না গেলে বৃহস্পতিবার ভোর বেলা থেকে গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে এলাকাবাসী তল্লাশি চালায়। একপর্যায়ে আবু মিয়ার একটি ঘরের মেঝে খোঁড়া ও প্রলেপ দেয়া দেখে সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে এক দল পুলিশ মেঝে খনন করে নিখোঁজ রহিমা বেগমের লাশ উদ্ধার করেন।

এলাকাবাসীর ধারণা, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হালিমা বেগম নামের এক নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনার জন্য রহিমার পরিবার ও এলাকাবাসী রাজা মিয়াকে সন্দেহ করছেন। এদিকে ঘটনার পর থেকে রাজা মিয়া পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় রবিউল ইসলাম থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিরুজ্জামান বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।