গাজীপুরে এক কিশোরী (১৪) ফের জোরপূর্বক ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের পর পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিবেশী এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। ঈদের আগের রাতে ওই কিশোরীকে বাড়িতে একা পেয়ে অপর এক যুবক ধর্ষণ করেছিলেন।
ধর্ষণের উভয় ঘটনায় রোববার গাজীপুর মেট্রোপলিটন পলিশের (জিএমপি) সদর থানায় পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেছেন ভিকটিমের বাবা।
গ্রেফতার যুবকের নাম আবু বকর সিদ্দিক (৩১)। তিনি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার সৈয়দপাড়া এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে।
জিএমপির সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সদর থানাধীন লক্ষীপুরা এলাকার আজহারের বাড়িতে স্বপরিবারে ভাড়া থেকে এলাকায় রিকশাভ্যানে কাঁচা তরকারি বিক্রি করেন ভিকটিমের বাবা। আর মা স্থানীয় এক পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। শনিবার সকালে এক ভাই ও এক বোনসহ ভিকটিমকে বাসায় রেখে তাদের মা-বাবা কর্মস্থলে চলে যান। সকাল ৯টার দিকে কিশোরী বাসায় কাজ করছিল। তখন তার ছোট ভাই ও বোন বাইরে খেলছিল। এ সময় একই বাড়ির ভাড়াটিয়া আবু বকর বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে সিলিং বেয়ে ভিকটিমের ঘরে প্রবেশ করেন। পরে তিনি কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর পালিয়ে যাওয়ার সময় আবু বকরকে আটক করে এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আটক যুবককে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনার আগে ঈদের পূর্ব রাতে বাসায় একা পেয়ে রফিক নামের প্রতিবেশী আরেক যুবক ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের উভয় ঘটনায় রোববার উভয় যুবকের বিরুদ্ধে জিএমপির সদর থানায় পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের বাবা। অপর অভিযুক্ত রফিক পলাতক রয়েছে।






