লক্ষ্মীপুর জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে গণপূর্তের ঠিকাদারকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মুহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত।
আসামিরা হলেন ঠিকাদার রুবেল হাদী, প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রহমান ইমন ও ম্যানেজার রাকিব হোসেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ভবন নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও তথ্যগত অসামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হয়েছে। মামলার আসামিরা নতুন নির্মাণাধীন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে নি¤œমানের বৈদ্যুতিক ব্যাকেট লাইট ব্যবহার করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষ ৬১টি নি¤œমানের লাইট ঠিকাদারের প্রতিনিধি প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রহমান আদালতের নেজারত শাখায় জমা দিয়েছেন। বুধবার নেজারত শাখার নাজির গণপূর্তের ঠিকাদার মোহাম্মদ আব্দুল খালেকের কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়। ২০১৬ সালের ২৫ মে একনেকে তৃতীয় দফা প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে জুন ২০১৮ সাল পর্যন্ত করা হয়। এ জন্য তিনবার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এর বাইরে লক্ষ্মীপুর জেলা আদালত ভবন নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু রুমের ভিতরে রেডিয়েশনের কারণে বিচারকদের কথা তেমন শোনা যায় না।
অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে অভিযুক্ত ঠিকাদার মামলার আসামি রুবেল হাদী বুধবার জানান, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নতুন ভবনের কাজ এখনো শেষ হয়নি। পুরনো আদালত ভবন ভয়াবহ ঝুঁকিতে থাকায় নিরাপত্তার কারণে বিচারকরা নতুন ভবন বুঝিয়ে দেয়ার আগেই ঢুকে পড়ে আদালতের বিচারকার্যক্রম চালু করে দেন। এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজান আনোয়ার বলেন, অনিয়মের বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।



