মাদারীপুরের রাজৈরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সাত পুলিশসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত বিচরণ মণ্ডলকে (৪০) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় শাজাহান খান এমপি সমর্থিত টিপু চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাহাবুদ্দিন মোল্লা সমর্থিত সাবেক চেয়ারম্যান জমির খান গ্রুপের মধ্যে আমগ্রাম বাজারে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষে বিচরণ মণ্ডল গুরুতর আহত হন। বিচরণ মারা গেছেনÑ এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে তার পক্ষের কয়েক শ’ লোক ইউপি কার্যালয় ব্যাপক ভাঙচুর চালায় ও টিপু চেয়ারম্যানের মোটরসাইকেলসহ পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। সংবাদ পেয়ে রাজৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তাদের ওপরও হামলা হয়। এতে ওসি, তদন্ত ওসি, সেকেন্ড অফিসারসহ সাত পুলিশ সদস্য আহত হন। পরবর্তী সময়ে মাদারীপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত ৯টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। গুরুতর আহত বিচরণ মণ্ডলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদী জানান, কটূক্তি করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ৬৬ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করতে হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে । ১০ জনকে আটক করা হয়েছে ।
রাজৈরে আ’লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ পুলিশসহ আহত ১০
মাদারীপুরের রাজৈরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সাত পুলিশসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত বিচরণ মণ্ডলকে (৪০) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও...



