প্রতি বছরের মতো এবারো মোঃ নজরুল ইসলাম শেখ কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে তৈরী করেছেন দুটি ষাঁড়। আশা করছেন, ভালো দাম পাবেন তিনি। গরু দুটিকে যত্নে লালন-পালন করেছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক মোঃ নজরুল ইসলাম শেখ। এর একটির ওজন ১২ মণ, অপরটির ওজন সাত মণ।
তিনি শখ করেই সন্তানের মতো নাম রেখেছেন কালো জোড়া। কোরবানিকে সামনে রেখে বিক্রির ঘোষণা দেয়ায় উৎসুক ক্রেতারা তার বাড়িতেই ভিড় জমাচ্ছেন।

সোমবার গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক মোঃ নজরুল ইসলাম শেখ বলেন, প্রতি বছরই কোরবানিকে ঘিরে দুটি করে গরু লালন-পালন করেন। তার গুটি ক্রস জাতের আড়াই বছর বয়সী একটি ষাঁড় ও দুবছর বয়সী আরেকটি ষাঁড় তৈরী করেছেন। নিজের ক্ষেতের লাগানো ঘাস, খৈল, ভুষিসহ প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে বর্তমানে ১৯ মণ ওজন হয়েছে গরু দুটির। এদের লালন-পালনে প্রতিদিন ৮ শ' টাকার প্রাকৃতিক খাবার খাওয়াতে হয়।

অপরদিকে, তার আপন ভাই চাঁদ আলী শেখও দু'বছর বয়সী সিন্ধি জাতের একটি ষাঁড় তৈরী করেছেন। তার ওজন হবে ১০ মণ। তিনিও বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। তবে সারা দেশে লকডাউনের কারণে সঠিক মূল্যে না পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন দুভাই।