ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের মহিষকান্দি গ্রামে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির নতুন সেপটিক ট্যাঙ্কের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে সিমেন্টের বিষাক্ত গ্যাসে রাজমিস্ত্রীসহ দু’জনের মৃত্যু ও একজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় মহিষকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাজমিস্ত্রী আসাদুল ও প্রতিবেশী যুবক মজনুর মৃত্যু হয়, অন্য প্রতিবেশী যুবক শুভ গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়েন।

প্রতক্ষ্যদর্শী ও মৃত আসাদুলের স্বজনরা জানান, মহিষকান্দি গ্রামের মিরাজ খানের নির্মানাধীন বাড়ির নতুন সেপটিক ট্যাঙ্কির সেন্টারিং মঙ্গলবার সকালে রাজমিস্ত্রী আসাদুল খুলতে যান। ট্যাঙ্কির মুখ খুলে ভিতরে ঢুকে সেন্টারিংয়ের কাঠ খুলতে গেলে বিষাক্ত গ্যাসে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। এ অবস্থা দেখে বাড়ির মালিকের ভাই পলাশ খান প্রতিবেশী যুবক মজনুকে ডেকে নিয়ে আসেন রাজমিস্ত্রীকে উদ্ধার করার জন্য। মজনু মিস্ত্রীকে উদ্ধার করতে ট্যাঙ্কির ভিতরে ঢুকলে তিনিও অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। এ সময় অন্য প্রতিবেশী যুবক শুভ দু’জনকে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে আসে, তিনিও ট্যাঙ্কির ভিতরে ঢুকে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন।

তিনজনকে উদ্ধার করে পাশ্ববর্তী জেলা পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মজনু ও আসাদুলের মৃত্যু হয়। শুভকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। রাজমিস্ত্রী আসাদুলের (৩০) বাড়ী ভান্ডারিয়া উপজেলার গাজীপুর গ্রামে। মজনু (২৫) মহিষকান্দি গ্রামের শাহাদতের ছেলে আর শুভ খান (২২) একই গ্রামের ইদ্রিস খানের ছেলে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

কাঠালিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ পুলক চন্দ্র রায় জানান, সেপটিক ট্যাঙ্কির কাজ করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে দমবন্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।