বগুড়ায় এক দিনে করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ১৯ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে আটজন এবং উপসর্গ নিয়ে আরো ১১জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে।
করোনায় মৃত আটজনের মধ্যে বগুড়া জেলার দু’জন।
এদের মধ্যে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে তিনজন, মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে তিনজন, টিএমএসএস হাসপাতালে একজন এবং বাকি একজন শিবগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
করোনায় মৃত আটজন হলেন, গাইবান্ধা জেলার রেহানা (৯০), নওগাঁর মুসলেমা (৪০) ও আব্দুর রহমান সরকার (৬৩), জয়পুরহাটের মোর্শেদা(৪০), তবিবর(৬৮) ও বাবু (৩৫) এবং বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দুলাল(৮৫) ও আজাহার(৫০)।
এদের মধ্যে আজাহার নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া একই দিনে তিন হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে ১১জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে শজিমেকে দু’জন, মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে আটজন এবং বাকি একজন টিএমএসএস হাসপাতালে মারা গেছেন।
মঙ্গলবার অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা: মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।
তিনি জানান, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৮১০ নমুনার ফলাফলে নতুন করে ২৩৮জন করোনা শনাক্ত হয়েছেন। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে আক্রান্তের হার ২৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৮৮জন। আক্রান্ত ২৩৮জনের মধ্যে সদরের ১৭৭জন, শেরপুরে ১১জন, দুপচাঁচিয়ায় ৯জন, গাবতলীতে ৭জন, কাহালুতে সাতজন, সারিয়াকান্দিতে ছয়জন, ধুনটে ছয়জন, আদমদীঘিতে সাতজন, সোনাতলায় তিনজন, শাজাহানপুরে তিনজন এবং শিবগঞ্জে দু’জন রয়েছেন। এর আগের দিন জেলায় একহাজার ১৬২নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ৩১৪জন করোনা শনাক্ত হয়েছিলেন।
ডা: তুহিন জানান, ৫ জুলাই ঢাকায় পাঠানো ২১৭ নমুনার ফলাফলে ৯৩জন, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ২৮২টি নমুনায় ৬৬জন, জিন এক্সপার্ট মেশিনে চার নমুনায় তিনজন, এন্টিজেন পরীক্ষায় ২৫৯ নমুনায় ৬০জন এবং টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৪৮নমুনায় ১৬জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন।
এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত ১৪ হাজার ৯৩১জন, সুস্থ ১৩ হাজার ৮৩জন, মোট মৃত্যু ৪৩৭জন এবং মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত করোনায় চিকিৎসাধীন এক হাজার ৪১৩জন।
এক প্রশ্নের জবাবে ডা: তুহিন বলেন, ‘করোনা আক্রান্ত এবং উপসর্গে মারা যাওয়ার মধ্যে তফাৎ রয়েছে। যে ১১জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ফলাফল পেলে জানা যাবে তারা করোনায় মারা গেছেন কিনা।






