শেরপুরের নালিতাবাড়ীর ৪২ মণ ওজনের সুলতান (ষাঁড়) এবারের কুরবানির ঈদে বিক্রি করতে চান মালিক রুহুল আমিন। সুলতানের জন্ম বাংলাদেশে হলেও এর আদিবাস কানাডায়। রুহুল আমিনের খামারের গাভীতে কানাডা থেকে আমদানি করা উন্নত জাতের কানাডিয়ান বীজ থেকে সুলতানের জন্ম। ঘরোয়া পরিবেশে বড় করা এই ষাঁড়ের ওজন বর্তমানে ৪২ মণ। প্রতিদিন ঘাস ও খড় ছাড়াই এর জন্য উন্নত গরুর খাবার লাগে ১০ থেকে ১২ কেজি। বছরে বিশেষ প্রয়োজনে দুই-তিন বার ঘরের বাইরে নেয়া হয়। সুলতানকে ঘর থেকে বাইরে নিতে ছয়জন লোকের প্রয়োজন হয়। যে কারণে সব সময় ঘরে রেখেই লালন-পালন করা হচ্ছে সুলতানকে। এমনটাই জানিয়েছেন বিশাল দেশের এই গরুর মালিক।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের উত্তর রানিগাঁও গ্রামের ১০ ফুট লম্বা ও পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি উচ্চতার সুলতানের দাম হাকাচ্ছেন ২০ লাখ টাকা। সাড়ে তিন বছর বয়সের সুলতানকে গরমের সময় দিনে তিন-চার বার আর শীতের সময় দু’বার গোসল করাতে হয়।
সুলতানকে এবার কুরবানির হাটে চালান করার ঘোষণা দেয়ার পর প্রতিদিনই আশপাশের এলাকার মানুষ গরুটি দেখতে ভীর জমাচ্ছেন রুহুলের বাড়িতে।
গরুর মালিক রুহুল আমিন বলেন, এতবড় গরু আর পালা সম্ভব নয়। তাই এবারের কুরবানির ঈদে বিক্রি করতে চাই। যেহেতু করোনাভাইরাস মহামারী চলছে। তাই অনলাইনে বিক্রি করতে পারলেই ভালো হয়।



