কোরবানির পশুবাহি ট্রাকের চাপ কিছুটা কমেছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে। গত দু’দিনের তুলনায় কিছুটা ছোট হয়ে এসেছে যানবাহনের সারি। তবে এখনো প্রতিটি যানবাহনকে ফেরি নাগাল পেতে মহাসড়কে অপেক্ষা করতে হচ্ছে অনেকটা সময়।

রোববার বিকেলে দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা গেছে এমন চিত্র।

গত দুই তিনি দিনের তুলনায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে কোরবানির পশুবাহি ট্রাক কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে বলে জানান স্থানীয়না।

রোববার বিকেলেও দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের প্রায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে যানবাহনের সারি ছিল। সরেজমিনে ঘাট থেকে ১৪ কি. মি. দূরের গোয়ালন্দ মোড়ের রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে শতাধিক ট্রাকের সিরিয়াল দেখা গেছে।

এদিকে পদ্মার তীব্র স্রোতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ব্যাহত হচ্ছে ফেরি চলাচল। ফলে যানবাহন পারাপারে সময় লাগছে আগের তুলনায় একটু বেশি। কোরবানির পশুবাহি ট্রাক, বাস ও পচনশীল দ্রব্য বোঝাই ট্রাক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করায় এসকল যানবাহন খুব বেশী সময় সিরিয়ালে আটকে থাকতে হচ্ছে না। কিন্তু সাধারণ ট্রাকগুলোকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে দিনের পর দিন।

বাসচালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখন পরিবহনের পাশাপাশি ঘাটে পশুবাহি ট্রাকের চাপ বেড়েছে। আর পশুবাহি ট্রাক বেশি পারাপার করায় তাদেরকে ফেরি পেতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া অফিসের ব্যবস্থাপক মো: শিহাব উদ্দিন জানান, ২৪ ঘণ্টায় দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে দু’হাজার ৪০০ ব্যাক্তিগত গাড়ি, এক হাজার ২০০ যাত্রীবাহি বাস ও ৬০০ ট্রাক নদী পার করার মতো সামর্থ রয়েছে। এর থেকে বেশী যানবাহন নদী পার হতে এলে সিরিয়ালে অপেক্ষা করতে হয়। বর্তমানে এ নৌরুটে ছোট বড় মিলে ১৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করছে। ঈদের আগে আরো একটি ফেরি যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।