মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসামগ্রী থাকলেও জনবল নেই। জনবল না থাকায় রোগ নিণর্য়ের মূল্যবান মেশিনগুলো বছরের পর বছর ব্যবহার না হওয়ায় বিকল হয়ে পড়ে আছে। এ ছাড়াও ডেন্টাল চেয়ারসহ চিকিৎসাসামগ্রী হাসপাতালে আনার পর থেকেই অব্যবহৃত পড়ে আছে।
হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের প্রয়োজনে এক্সরে, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে বাধ্য হয়েই যেতে হচ্ছে বাইরের কোনো ক্লিনিকে। তাতে রোগীদের যেমন বাড়তি খরচ হচ্ছে, তেমনি আসা-যাওয়ায় গুরুতর অসুস্থ রোগীদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। এ ছাড়াও সহকারী ডেন্টাল সার্জন না থাকায় অযতেœ ডেন্টাল চেয়ারসহ কোটি টাকার চিকিৎসাসামগ্রী পড়ে থাকায় নিকল হয়ে যাচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, তাদের ৩০০ মিলিএমপিআর শক্তির একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এক্সরে মেশিন রয়েছে। কিন্তু ২০১৩ সাল থেকে এক্সরে মেশিনের কন্ট্রোল বক্সের ডিসপ্লে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। সেটি ঠিক করার জন্য ও কোনো উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
এ দিকে এনালাইজার মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট না থাকায় এক্সরে মেশিনটি অকেজো হয়ে যাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানোর পরও সারাননি।
এ দিকে ২০১৭ সালে ডেন্টাল চিকিৎসাসামগ্রী হাসপাতালে আনা হলেও ডেন্টাল চিকিৎসক না থাকায় এগুলো বিকল হয়ে যাচ্ছে। এতে মতলব উত্তর উপজেলার বাসিন্দারা স্বাস্থ্যসেবা থেকে চরমভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন।
জরুরি বিভাগে সেবা নিতে আসা একাধিক রোগীর সাথে কথা হলে তারা জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীরকে ছেংগারচর বাজারে এক্সরে করার পরামর্শ দিয়েছেন। আরেকজন ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে এক্সরে করে এনেছেন। আহত আরেক রোগীকে স্বজনরা এক্সরে করানোর জন্য হাসপাতালের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন।
তারা অভিযোগ করেন, ‘হাসপাতালে যন্ত্র থাকতে শরীরের যন্ত্রণা লইয়া আমাগো বাইরে যাওন লাগতাছে। এতে খরচও অইবে দ্বিগুণ। আমগো অইছে মরণ দশা।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নুরসাত জাহান মিথেন জানান, বিষয়টি ঢাকার মহাখালীর ন্যাশনাল ইলেকট্রো মেডিক্যাল ওয়ার্কশপের টেকনিক্যাল ম্যানেজারকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
জনবল সঙ্কটে ধুঁকছে মতলবের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসামগ্রী থাকলেও জনবল নেই। জনবল না থাকায় রোগ নিণর্য়ের মূল্যবান মেশিনগুলো বছরের পর বছর ব্যবহার না হওয়ায় বিকল হয়ে পড়ে...



