২০ বছ‌রের ধারাবা‌হিকতা অব্যাহত রে‌খে রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুরে ২০০ জন অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে গরু ও খা‌সি কোরবানির সব গোশত বিতরণ ক‌রে দি‌য়ে‌ছেন ডা: মো: নিয়ামুল ইসলাম।

‌তি‌নি কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক। এবং রাজবাড়ীর মিজানপু‌র ইউ‌নিয়‌নের বড়লক্ষীপু‌রের আব্দুর রহমা‌নের ছে‌লে।

এ সময় তি‌নি গরু ও খা‌সির গোশত বিতর‌ণের পাশাপা‌শি ঈদ উপহার সামগ্রী ও নগদ অর্থও বিতরণ করেন।

বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মিজানপুরের বড়লক্ষীপুরে তার নিজ বাড়িতে গরু ও খা‌সি কোরবানি শেষে প্রতিবেশী ও দুস্থদের মাঝে গোশত, পোলার চাল, সেমাই, চিনি, আটা, সয়া‌বিন তেল, সাবান ও নগদ টাকা বিতরণ করেন।

গোস্ত, ঈদ সামগ্রী ও নগদ অর্থ পেয়ে এলাকার অসহায় মানুষগুলো জানান, ক‌রোনার কার‌ণে তারা অসহায় হ‌য়ে প‌ড়ে‌ছে। এমন দুঃসম‌য়ে এসব পেয়ে তারা অনেক খুশি। প্রতিবছর ডা: সা‌হেব তা‌দের গোশত ও ঈদের সদাই দেন। এছাড়া বি‌ভিন্ন সময়েও সহ‌যো‌গিতা করার পাশাপা‌শি বিনামূ‌ল্যে চি‌কিৎসা সেবাও দেন। এভাবে অসহায়দের পাশে যেন সারা জীবন ডা: নিয়ামুল থাকতে পারেন সেই দোয়া তারা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডা: মো: নিয়ামুল ইসলামের বাবা আব্দুর রহমান, তার স্ত্রী রুমানা কাদের, চাচা আজিজ মাস্টার প্রমুখ।

ডা: মো: নিয়ামুল ইসলাম বলেন, তার বাবা ও স্ত্রীর অনু‌পেরণায় ২০০১ সাল থে‌কে গ্রা‌মের বাড়ি‌তে দেয়া কোরবা‌নির সব গোশত অসহায় মানু‌ষের মা‌ঝে বিতরণ ক‌রে‌ আস‌ছেন। পাশাপা‌শি ঈদ উপহার সামগ্রী ও নগদ টাকাও দেন। এবার এক‌টি বড় গরু ও খাসি কোরবা‌নি ক‌রে বি‌লি কর‌ছেন। এছাড়া বাড়িতে এলে এলাকার অসহায় মানু‌ষের বিনামূ‌ল্যে চি‌কিৎসা দেন।

‌তি‌নি আরো ব‌লেন, অনেক অসহায় মানুষ আছে, যারা সারা বছরে একবারও গরু বা খা‌সির গোশত কিনে খেতে পারে না। এসব মানু‌ষের পা‌শে তি‌নি সব সময় থাক‌তে চান। এ জন্য তি‌নি সবার সহ‌যো‌গিতা ও দোয়া কামনা ক‌রেন।