প্রিয়জনের সাথ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপে শুক্রবার সকাল ১০টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের ভিড় থাকলেও এখন ঘাট এলাকা পুরোই ফাঁকা। করোনা সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত ১৪ দিনের কঠোরতম বিধিনিষেধের প্রথম দিন সকাল পর্যন্ত দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে নদী পারাপারের জন্য অপেক্ষা করেছিল কিছু যানবাহন।
লকডাউন শুরুর আগে বৃহস্পতিবার রাত ও শুক্রবার সকাল ৬টার আগে মূলত এ সকল যানবাহন ঘাট এলাকায় আসে। নৌরুট পর্যাপ্ত ফেরি চালু থাকায় শুক্রবার সকাল ১০টার মধ্য সিরিয়ালে থাকা যানবাহনগুলো নদী পার করে অভ্যন্তরীণ নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ-বিআইডব্লিউটিএ।
তারা জানায়, সিরিয়ালে থাকা যানবাহন পারাপার শেষ করে সরকার ঘোষিত নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সকালে দৌলতদিয়া ঘাটে সিরিয়ালে আটকে থাকা ঈগল বাসের যাত্রী আশিকুর রহমানের সাথে কথা হয়। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে পদ্মা পারের জন্য অপেক্ষা করছি গাড়িতে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাড়ি ফেরিতে উঠছে। তিনি তখন বলেন, ‘লকডাউন শুরু হয়ে গেছে। ঢাকাতে ঢুকে বাসা পর্যন্ত যেতে পারবো কি না সেটাই ভাবছি।’
এদিকে আরিচা লঞ্চ মালিক সমিতির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার তত্ত্বাবধায়ক নুরুল আনোয়ার বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ৬টার পর থেকে কোনো লঞ্চ ছাড়া হয়নি। এর আগে ঘাটে আসা যাত্রীদের দ্রুত লঞ্চে তুলে দিয়ে ঘাট ছাড়া হয়। পরে ঘাটে আসা যাত্রীদের লঞ্চের পরিবর্তে ফেরিতে নদী পার হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।
বাংলাদেশ অভ্যারীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক মো: শিহাব উদ্দিন বলেন, আগের দিন রাতে এসে নদী পারের জন্য অপেক্ষায় আটকে থাকা বাসগুলো শুক্রবার সকাল ১০টার মধ্য পার করা হয়েছে। এরপর থেকেই দৌলতদিয়া ঘাট ফাঁকা।
বর্তমান যানবাহন নদী পারাপারের ব্যাপারে সরকারের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন এই কর্মকর্তা।



