লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগর উপজেলায় হঠাৎ অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। দুই উপজেলার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ডুবে গেছে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ, ঘরবাড়ি ও মাছের ঘের। কমলনগরের চরমার্টিন এলাকায় একটি সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে যোগাযোগ।
গত শুক্রবার সকাল থেকে পূর্ণিমার প্রবল জোয়ারে নদীর পানি বেড়ে যায়। রামগতি-কমলনগর উপজেলায় মেঘনা নদীর ভাঙনে বেড়িবাঁধ বিলীন হয়ে যাওয়ায় জোয়ার এলেই গ্রামের পর গ্রাম ডুবে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ছয়-সাত ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। রামগতির উপজেলার বিচ্ছিন্ন চর আবদুল্লাহ ইউনিয়ন তেলির চর, উত্তর চর আবদুল্লাহ, চর গাসিয়া ও চর মোজ্জামেল এলাকা পানিতে ডুবে গেছে। জোয়ারের পানিতে রাস্তাঘাট ও বাড়ির উঠান ডুবে বসতঘরে পানি ওঠে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ।
চর আব্দুল্লাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন মঞ্জু জানান, তেলিরচর বাজার, কামাল বাজার ও চেয়ারম্যান বাজারসহ ইউনিয়নের বেশির ভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এছাড়াও রামগতি উপজেলার মেঘনার ভাঙনকবলিত বালুর চর, চর আলেকজান্ডার, সুজনগ্রাম, গাবতলী, চর আলগী, চর গোঁসাই, চররমিজ, বড়খেরী, চরগাজী, চরগজারিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
চরমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইউছুফ আলী মিয়া ও চরকালকিনি ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার সাইফুল্লাহ জানান, চরমার্টিন ও চরকালকিনি ইউনিয়নের বেশির ভাগ এলাকা ও গ্রামীণ সড়ক জোয়ারের তোড়ে ভেঙে গেছে। এতে মানুষের চলাচল বন্ধ রয়েছে। দুর্ভোগে রয়েছে স্থানীয়রা।
কমলনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুজ্জামান বলেন, মেঘনা উপকূলীয় এ অঞ্চলে জোয়ার এলেই প্রচুর পানি প্রবেশ করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জোয়ারে রামগতি-কমলনগরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগর উপজেলায় হঠাৎ অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। দুই উপজেলার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ডুবে গেছে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ, ঘরবাড়ি ও মাছের...



