শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে এক কিশোরীকে (১৯) ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নালিতাবাড়ী থানায় বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার সময় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ওই কিশোরী।

গ্রেফতার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম আজাহারুল ইসলাম (৩৫)। তিনি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ঘোনারভিটা গ্রামের আবদুল বারির ছেলে। আজাহারুল পেশায় ভাড়ায় মোটরসাইকেলচালক।

ভুক্তভোগী কিশোরী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মরিচপুরান ইউনিয়নের একটি গ্রাম থেকে ওই কিশোরী গাজিপুরের মাওনায় তার চাচার বাড়িতে যেতে তার খালু আজাহারুলকে ফোন করেন। আজাহারুল ওই কিশোরীকে তাদের বাড়ি ঘোনারভিটা রাতে থেকে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার গাড়িতে তোলে দিবেন বলে জানান।

বুধবার রাত ১০টার সময় আজাহারুল ওই কিশোরীকে মোটরসাইকেল তোলে ফুলপুর না গিয়ে উপজেলার সীমান্তবর্তী কালাকুমা গ্রামে তার চাচাতো ভাই নজরুল ইসলামের বাড়িতে যান। ওই কিশোরীর আড়ালে আজাহারুল তার ভাই নজরুলকে ওই কিশোরীকে তার স্ত্রীর পরিচয় দেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে আজাহারুল ও কিশোরীকে এক ঘরে থাকতে দিলে আজাহারুল তাকে ধর্ষণের চেষ্ঠা করেন। এ সময় ওই কিশোরীর চিৎকারে বাড়ি লোকজন তাদের ঘরে যান। লোকজন তাদের সম্পর্ক জানতে চাইলে আজাহারুল ওই কিশোরীকে স্ত্রী বলে দাবি করেন। এ সময় ওই কিশোরী তার খালু হয় বলে জানান। তাকে ধর্ষণচেষ্ঠা করেন বলে অভিযোগ করেন। এ সময় আজাহারুলকে আলাদা ঘরে আটক রাখা হয়। সকাল ৭টার দিকে এলাকাবাসী রামচন্দ্রকুড়া বিটপুলিশের দায়িত্বে থাকা সহকারী পরির্দশক (এসআই) শাহিন সরকারকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে অভিযুক্ত আজাহারুল ও কিশোরীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বছির আহমদ বাদল, দর্শন চেষ্টা মামলায় আসামি আজহার গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।