নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া ইউনিয়নের আবিরপাড়া এলাকার মো: আবদুল্লাহ আল নাফিজ (৮) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। একই সাথে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সৎ মাকে গ্রেফতার করে বিচারিক আদালতের পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বালিশ, কাঁথা, এক বোতল ভিক্সল।
পারিবারির কলহের এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানায় পুলিশ।
সোমবার সোনাইমুড়ী থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো: শহীদুল ইসলাম (পিপিএম)।
তিনি বলেন, গ্রেফতার নূরজাহান আক্তার নুপুর (২৩) মো: ওমর ফারুকের (৩৩) দ্বিতীয় স্ত্রী। ওমর ফারুক (মামলার বাদি) উপজেলার সোনাইমুড়ীর আমিশা পাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আবির পাড়া এলাকার আজগর বেপারী বাড়ির ছেলে।
পুলিশসুপার মো: শহীদুলইসলাম জানান, গত শনিবার দুপুর সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার মধ্যে যে কোনো এক সময়ে নূরজাহান আক্তার নুপুর তার স্বামীর আগের ঘরের শিশু সন্তান মো: আবদুল্লাহ আল নাফিজকে হত্যা করে।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিসান আহমেদ গত রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় নিহতের সৎ মা নুপুরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এরপর নুপুরকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জানায়, নাফিজকে খাবার না দিয়ে ঘটনার দিন বিকেলে ঘরের মাঝের রুমে খাটের ওপরে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেন। এতে তার শরীর নিস্তেজ হয়ে যায়। এরপর একটি কাঁথা দিয়ে ঢেকে দেয়। পরে পাশের ঘরে গিয়ে গল্প করছিল।
হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোকোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে নুপুর।






