সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় স্বামী ও শ্বশুর না থাকায় ফাঁকা বাড়িতে একা পেয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামালা করার পর অভিযুক্ত ধর্ষক মঞ্জুরুল হককে (৪৬) গ্রেফতার করেছে তাহিরপুর থানা পুলিশ।

অভিযুক্ত মঞ্জুরুল হক উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের বিন্নাকুলি লামাশ্রম গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে।

বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জয়নাল আবেদিন জানান, মামলার পর মঙ্গলবার ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে মঞ্জুরুল হককে আটক করা হয়েছে। ভিকটিম আমাদের হেফাজতে আছে। তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে এবং অভিযুক্ত আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।

এর আগে গত রোববার ভোর রাতে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের বিন্নাকুলি লামাশ্রম গ্রামে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পর গতকাল সোমবার রাতে তাহিরপুর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর স্বামী (২৫)।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, বিন্নাকুলি লামাশ্রম গ্রামের বাসিন্দা ওই অটোরিকশাচালকের স্ত্রী (২১) গত রোববার ভোররাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বসতঘরের পাশের টয়লেটে যান। সেখান থেকে ফেরার সময় একই গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে মঞ্জুরুল হক (৪৬) ও তার অপর সহযোগীরা মুখ চেপে ধরে বসতঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে চলে যায়।

ভিকটিমের স্বামীর অভিযোগ, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মাদকাসক্ত মঞ্জুরুল তার সহযোগীদের নিয়ে ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আব্দুল লতিফ তরফদার বলেন, গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী মামলা করেছেন। এই বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।