লকডাউন শিথিল হতেই আগের রূপে ফিরেছে দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট। বুধবার সকাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা হতে একযোগে বিপুল সংখ্যক বাস, ব্যাক্তিগত গাড়ি, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান নদী পার হতে আসে দৌলতদিয়া ঘাটে।
সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র জানায়, বুধবার বেলা ২টা নাগাদ দৌলতদিয়া ফেরিঘাট হতে বাংলাদেশ হ্যাচারিজ পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার জুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ঘাটের উপর চাপ কমাতে পুলিশ গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় অপচনশীল পণ্যবাহী যানবাহন আটকে দিচ্ছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে গোয়ালন্দ মোড় হতে আহলাদীপুর পর্যন্ত অন্তত ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সিরিয়ালের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সিরিয়ালে ৭/৮ শ’ পণ্যবাহী ও অর্ধশত বাস আটকে রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি'র দৌলতদিয়া অফিস সূত্র জানায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বুধবার সকাল থেকে মাত্র ৬টি বড় (রোরো) এবং ৭টি ছোট মিলিয়ে মোট ১৩টি ফেরি চলাচল করছে। রুটের ২টি ফেরিতে সাময়িক ত্রুটির কারণে বন্ধ রেখে মেরামত করা হচ্ছে। এ ছাড়া এ রুটের ২টি বড় ফেরি কয়েক দিন আগে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে যানবাহন পারাপার ব্যাহত হওয়ায় ওই রুটের অধিকাংশ যানবাহন নদী পার হওয়ার জন্য দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে আসছে। এতে করে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের টিএসআই বিনয় কুমার জানান, লকডাউন শিথিল হওয়া এবং দুই রুটের গাড়ি এক রুটে আসায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় দৌলতদিয়া ঘাটের উপর চাপ কমাতে আমরা অপচনশীল পণ্যবাহী যানবাহনগুলোকে সারিবদ্ধভাবে গোয়ালন্দ মোড়-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক সড়কে আটকে রাখছি এবং চাহিদার নিরিখে ছেড়ে দিচ্ছি।



