গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুরমা, যাদুকাটা, চেলা, খাসিয়ামারা, মৌলা, রক্তি নদীসহ সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারি বৃষ্টির কারণে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে সড়কে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টায় জেলার ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ঢলের পানিতে নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, সুরমা নদীর পানি শনিবার সকাল থেকে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। শহরের বিভিন্ন রাস্তা ইতোমধ্যে বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জেলার তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, ছাতক, দোয়ারাবাজার উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জেলা শহরের সাথে বিশ্বম্ভরপুরও তাহিরপুর উপজেলার একমাত্র সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যাওয়ার কারণে জেলা শহরের সাথে দু’টি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ জনসাধারণের চরম ভোগান্তি হচ্ছে। সুনামগঞ্জ শহরের নিম্ন এলাকার বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
স্থানীয়রা জানায়, বৃষ্টিপাতে সুরমা, যাদুকাটা, রক্তি, বৌলাই, চেলা, মরা চেলা, চিলাই, খাসিয়ামারা, মৌলা, কালিউড়ি ও চলতি নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। নতুন করে আবারো জামালগঞ্জ উত্তর কামলাবাজ, দোয়ারাবাজারের খাসিয়ামারা ও চেলা নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পওর শাখা-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: সাবিবুর রহমান বলেন, ‘টানা বৃষ্টি হওয়া ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সুনামগঞ্জের সব নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত তিন দিন ধরেই নিয়মিত বৃষ্টি হচ্ছে। সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি ঘোলঘর পয়েন্টে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।






