টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীর পালানোর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের কসবাআটিয়া গ্রামের আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামীকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে।

মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড়বছর আগে পাছ এলাসিন ইউনিয়নের আগএলাসিন গ্রামের বানিছ মিয়ার স্ত্রী ৬ সন্তানের জননী ভানু বেগমকে (৫৫) ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করে এলাসিন গ্রামের মৃত রজবআলীর ছেলে মো: আফাজউদ্দিন। পরে স্বামী-স্ত্রী আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে এসে কেয়ার টেকারের কাজ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, পালিয়ে আসার সময় ভানু প্রবাসী দুই ছেলের পাঠানো মোটা অংকের টাকা ও মেয়েদের স্বর্ণালঙ্কার সাথে নিয়ে আসেন। এ ঘটনার ১৫ দিন পর ভানুর সাবেক স্বামী মো: বানিছ মিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

ভানুর বড় ছেলে মো: করিফ মিয়ার অভিযোগ, রাতে আফাজ তার মাকে নির্মমভাবে নির্যাতন ও হত্যা করে লাশ বৃদ্ধাশ্রমের পুকুরে ফেলে পালিয়ে গেছে। বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা শুক্রবার সকালে ভাসমান অবস্থায় লাশ দেখতে পেয়ে পাশ্ববর্তী প্রতিবেশীদের জানায়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

এ ব্যাপারে ভানুর বড় মেয়ের জামাতা আল-আমিন দেলদুয়ার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: সাজ্জাদ হোসেন জানান, ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।