রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে অপরিকল্পিতভাবে চত্রা নদী পুনঃখনন কাজ করার ফলে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আবারো ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে এলাকার মানুষের চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামত না করায় আবারো ভাঙন দেখা দিয়েছে।
রোববার সকালে সরেজমিনে উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের খাটিয়াগাড়া, চরঘিকমলা, বাকসাডাঙ্গী, বিলটাকাপোড়া, ঘিকমলা, মরাবিলা এলাকায় গিয়ে দেখাযায়, নারুয়া বাজার থেকে লাঙ্গলবাঁধ ঘাট সড়কের ও বালিয়াকান্দি-পাংশা সড়কের বাকসাডাঙ্গী, চরঘিকমলা, বিলটাকাপোড়া, খাটিয়াগাড়া এলাকায় ২টি সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। খাটিয়াগাড়া ও চরঘিকমলা চত্রা নদীর ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজের দু’পাশেও ভেঙে গেছে। ব্রিজটিও রয়েছে চরম ঝুকিতে। সড়ক দুটিতে চলাচল উপযোগী করতে স্থানীয় চেয়ারম্যান মো: আব্দুস সালাম ও স্থানীয়রা মাটি ফেলে। বর্তমানে আবারো পাকা সড়কে ভাঙন দেখা দেয়ার ফলে এখন একটি সড়ক দিয়ে চলাচল করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী আইয়ুব হোসেন, নজরুল ইসলাম, আ: সালাম বলেন, নারুয়া বাজার থেকে মরাবিলা সড়কটি ভেঙে নদীগর্ভে চলে যাওয়ার ফলে যানবাহন চলাচল করতে পারছে। অপরিকল্পিতভাবে খনন করে মাটি বিভিন্ন ইট ভাটা ও স্থানীয় লোকজনের কাছে বিক্রি করায় এ ভাঙনের সৃষ্টি হয়। কৃষি প্রধান এলাকা হওয়ায় সরকারি সড়ক ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ফলে যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো জানান, চত্রা নদীটি যেভাবে গভীর করে খনন করা হয়েছে তার কোনো প্রয়োজন ছিল না। তারপরও তা খনন করেছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে নদীর দু’পাড়ে ভাঙন দেখা দেয়। এটা সরকারের প্রতিনিধিদেরকে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থাগ্রহণ করা উচিত।
নারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: আব্দুস সালাম মাস্টার বলেন, চত্রা নদী অপরিকল্পিতভাবে খনন করার ফলে ভাঙনে সৃষ্টি হয়েছে। চলাচল অনুয়োপযোগী হয়ে পড়ায় মাটি ফেলে চলাচল উপযোগী করা হয়। এখন সড়কের অন্যান্যে স্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।



