গত কয়েক দিনের বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে বগুড়ার সারিয়াকান্দির যমুনা ও বাঙ্গালী নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উপজেলায় ১৭৭ হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অপর দিকে বাঙ্গালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নদী এলাকার ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, বন্যায় উপজেলার চালুয়াবাড়ী, কর্নিবাড়ী, বোহাইল, কাজলা, চন্দনবাইশা, সারিয়াকান্দি সদর, হাটরশরপুর, কুতুবপুর, কামালপুর ইউনিয়নের ৬৮টি গ্রামের ১২ হাজার ৭০০ পরিবারের ৫০ হাজার ৮০০ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি আরের ৫২ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল হালিম জানান, যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে ১৩৫ হেক্টর রোপা আমন, ১২ হেক্টর বীজতলা, ১০ হেক্টর সবজি ২০ হেক্টর জমির মাসকালাইসহ সর্বমোট ১৭৭ হেক্টর ফসল বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম কবির জানান, ২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়, দু’টি উচ্চ বিদ্যায় একটি মাদরাসায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। বন্যায় ৪৪টি পুকুরের ১০ মেট্রিকটন মাছ ভেসে গেছে বলে জানিয়েছে উপজেলা মৎস্য অফিস।






