চট্টগ্রামের চন্দনাইশে জাতীয় শোকদিবস ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আয়োজিত শোকসভা ও মিলাদ মাহফিলে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি বর্ষণের ঘটনায় থানায় দু’টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ৮১ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার থানা পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, ছাত্রলীগ নেতা মো: আবুল ফয়সাল বুধবার দিবাগত রাতে সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন সুজনকে প্রধান আসামি করে ২১ জনের নাম উল্লেখসহ ২০-২৫ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন সুজন আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবু তৈয়্যবকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে অপর মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ৩০ আগস্ট বিকেলে উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে হাশিমপুর বুলার তালুক এলাকায় হল-২৪ কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় শোকদিবস ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে শোকসভা মিলাদ মাফিলের আয়োজন কর হয়। শোকসভায় প্রধান অতিথি দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মফিজুর রহমান তার বক্তব্য শেষ করে চলে যাওয়ার পর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাহবুবুল আলম বাবুলের বক্তব্য চলাকালে হামলা, সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ সময় তিন-চারজন আহত হয়। ওই ঘটনার দু’দিন পরে পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হলো।
চন্দনাইশ থানার পুলিশ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন সরকার পৃথক মামলা দায়ের হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে যোগাযোগ করা হলে আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ন কবির জানান, মামলা দু’টি সুষ্ঠভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশ ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।






