দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলেফ উদ্দীনর পরিবার বাস করছে অন্যের বাড়িতে। তাদের নিজস্ব নেই কোনো বাড়িঘর। বাড়ি করার মতো সামান্য জায়গা থাকলেও নেই বাড়ি করার কোনো সামর্থ্য। এমনটাই জানিয়েছেন মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী পিয়ারা বেগম ও ছেলে মনিরুল ইসলাম।
তারা জানান, ২০০৭ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলেফ উদ্দীন বার্ধক্য জনিত কারণে মারা যান। তিনি উপজেলার শালখুরিয়া ইউনিয়নের বেড়ামালিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে মেয়ে দু’জনের বিয়ে হয়েছে। একমাত্র ছেলে মরিরুল ইসলাম ফেরি করে ‘হরেক রকমের ভাজা’ বিক্রি করেন। তা থেকে যে আয় হয় এতেই চলে সংসার।
মনির জানান, সংসারে মা ও স্ত্রী সন্তানসহ এখন সাতজন সদস্য। ভাজা বিক্রি করে সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হয়। তারপরও খেয়ে না খেয়ে দিন কেটে যাচ্ছে। কিন্তু থাকার মতো কোনো ঘর নেই। তাই অন্যের বাড়িতে থাকি। তিনি বলেন, আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। অথচ আমাদের বসবাসের ব্যবস্থাটুকু নেই স্বাধীন দেশে। এই কষ্ট কারে বললো। আর বলেই বা লাভ কি!
তিনি জানান, অভাবের কারণে সন্তানদের লেখাপড়াও করাতে পারছি না।
প্রতিবেশী আ: মজিদ, শরিফুল ইসলাম ও হাশেম আলী জানান, মনিরুলের কষ্টের দিনাতিপাতের কথা। তারা বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যদের জন্য সরকারিভাবে একটি বাড়ি পেতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি কামনা করেন।



