সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের ১ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর মাদারীপুর যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা ও মেঘনা ব্যাংক লিমিটেডের চকবাজার শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার শেখ আনোয়ার হোসেনের নামে মামলাটি দায়ের করেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাদারীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার এবং ঢাকা (যাত্রাবাড়ী)-মাওয়া-ভাঙ্গা, বরিশাল-পটুয়াখালী জাতীয় মহাসড়কের ৫৫ কিলোমিটারে আড়িয়াল খাঁ নদীর উপর অবস্থিত ‘হাজী শরীয়তুল্লাহ সেতু’র উপর দিয়ে যানবাহন পারাপারের নিমিত্তে ২২ জুন ২০১৮ সাল থেকে ৩০ জুন ২০২১ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৪ দিনের জন্য টোল আদায়ের ইজারা কোটেশন আহ্বান করে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর। পরে উদ্ভূত মূল্য ভ্যাট ও আয়করসহ ১২ কোটি ২৮ লাখ ৩৫ হাজার ৬০০ টাকায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এসএস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের মালিক শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ মোল্লার সাথে চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী ২২ আগস্ট ২০১৮ থেকে টোল আদায় শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ দফতরে ১ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা জমা দেয়নি।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বাকি টাকা পরিশোধ করার জন্য ইজারাদারকে বারবার তাগিদ দিলে তিনি টাকা পরিশোধ করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

মামলার বাদি মাদারীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এস.এস. ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের মালিক শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ মোল্লা ও এর সাথে জড়িত মেঘনা ব্যাংক লিমিটেডের চকবাজার শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার শেখ আনোয়ার হোসেন ১ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ না করায় বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।

মাদারীপুর জজ কোর্টের সরকারি উকিল (জিপি) জাকির হোসেন লোকমানও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ মোল্লা বলেন, সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি পরিষ্কার করা হবে।