‘ওরা কয় আমি নাকি মরে গ্যাছি, তাইলে কিবাবে হাঁটছি। কতা কচ্ছি কি করে। আমার বয়াসতো এক শ’ বছর হবি। আমার ছাওয়াল ইউনিয়ন পরিষদে গেছলো বয়স্ক ভাতার অনলাইন নিবন্ধন করতি। আসে কইলো তুমি আর বেঁচে নাই।’ এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন, রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের মৃত গেন্দু মণ্ডলের স্ত্রী মোছা: গোলজান বিবি। তার জন্ম ১৯২৯ সালের ৫ এপ্রিল।
নারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মাস্টার বলেন, মায়ের চেয়ে ছেলে ২৫ বছরের বড়, বাবার চেয়ে ছেলে চার বছরের ছোটসহ অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে। গোলাপজান বিবির বয়স্ক ভাতার নিবন্ধন করতে গেলে দেখতে পাই, তার তথ্য নেয় না। এ কারণে নির্বাচন অফিসে গিয়ে জানতে পারি ভোটার তালিকায় তিনি মৃত। এদিকে গত বুধবার বালিয়াকান্দিতে কম্পিউটারের দোকান থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের সুরক্ষা অ্যাপে করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানতে পারলেন বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল মোল্যার ছেলে মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন মৃত।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন বলেন, তাকে দ্রুত আবেদন করতে বলুন। দ্রুত যাতে তার সমস্যাটি সমাধান করা যায় সে বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হবে।