‘তিন বছর ধরে আমার সাথে প্রেম করেছো। বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে আমার সাথে সম্পর্ক করেছো। প্রায় রাতে গোপনে আমার ঘরে এসেছো। এখন কেন বিয়ে করবে না। বিয়ে আমাকে তোমার করতেই হবে।’

রোববার শাজাহানপুর উপজেলার দাড়িগাছা গ্রামে বিয়ের দাবিতে অনশনরত অবস্থায় এসব কথা বলছেন জাহানারা বেগম (২৫) নামের এক নারী। তিনি ওই গ্রামের এমাদাদুল হকের স্ত্রী এবং এক সন্তানের জননী।

জাহানারা জানান, স্বামী ব্যবসা করার সুবাদে বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো পাশের বাড়ির আবদুল লতিফের ছেলে আবু তালেব (২৩)। তিনি অনার্স পাশ করার পর তার স্বামীর সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে এবং ব্যবসা করেন। তালেব অবিবাহিত। এভাবে সময়ে অসময়ে বাড়িতে যাতায়াতের একপর্যায়ে তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। দিনে দিনে এ সম্পর্ক শারীরিক সম্পর্কে পরিণত হয় এবং বেশিরভাগ দিনে স্বামী ব্যবসায়িক কাজে বাইরে থাকায় প্রায় রাতেই প্রেমিক তালেব তার সাথে রাত্রীযাপন করেন। এছাড়াও বিয়ের প্রলোভন দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তার সাথে মেলামেশা করেছে। এমনকি গত তিন দিন ধরে তার ঘরে রাত যাপন করেছে। কিন্তু এখন বিয়ে করার কথা বললে তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন। তাই তাকে বিয়ে এখন করতেই হবে। অনশনের সময় প্রেমিক তালেব এবং তার পরিবারের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে তালেবের দুলাভাই জালাল জানান, এসব কথা এলাকার অনেকেই বলাবলি করছে। যদি সত্যি হয় তাহলে দুজনের বিয়ে পড়িয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

স্থানীয় খরনা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য তোতা মিয়া বলেন, যদি ঘটনা সত্য হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।