লক্ষ্মীপুরে চাঞ্চল্যকর মমিন উল্যা হত্যা মামলায় দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া একটি মাদক মামলায় একজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলাম এ দু’টি মামলার রায় দেন।
হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো মোহন ও তারেক। তাদের উভয়ের বাড়ি সদর উপজেলার বশিকপুর এলাকায়। রায়ের সময় আসামি মোহন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
অন্য দিকে মাদক মামলায় ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গিয়াস উদ্দিনের বাড়ি টেকনাফের সোনাপাড়ার পূর্ব আপানখালি এলাকায়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৭ জুলাই সদর উপজেলার বিজয়নগর গ্রামে মমিন উল্যা (২৩) নামে এক সিএনজি চালকের লাশ পাওয়া যায়। ওই স্থানে আসামিরা তাকে গলায় রশি লাগিয়ে শ্বাস রোধে হত্যা করে সিএনজি অটো নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তার অটোটি লক্ষ্মীপুর পৌর এলাকার রেহান উদ্দিন ভুঁইয়া সড়ক থেকে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত মমিনের বাবা সুলতান আহম্মদ বাদি হয়ে পরদিন ২৮ জুলাই সদর থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করে ২০১৪ সালের ১৩ জানুয়ারি আদালতে মোহন ও তারেকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। মামলায় দীর্ঘ শুনানির পর ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এই রায় দেয়া হয়।
এ দিকে একই আদালত পৃথক একটি মাদক মামলায় গিয়াস উদ্দিন নামের মাদক কারবারিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। আসামি গিয়াস কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার সোনাপাড়া এলাকার পূর্ব পানখালী গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে।