প্রেমের টানে চট্টগ্রামে গিয়ে লাশ হলেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের লিমা খাতুন। মৃত্যুটি রহস্যজনক হওয়ার কারণে প্রেমিক সাকিল মিয়াকে আটক করেছে চট্টগ্রাম ইপিজেড থানা পুলিশ।

লিমা খাতুন ওই গ্রামের আব্দুল লতিফ মিয়ার মেয়ে এবং সাকিল প্রতিবেশী শহিদুল ইসলামের ছেলে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে লিমা ও সাকিলের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। এরই এক পর্যায়ে গত ১৫ দিন আগে লিমা প্রেমের টানে চট্টগ্রামে সাকিলের কাছে ছুটে যান এবং স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ভাড়া বাসায় থাকতে শুরু করেন তারা। গত শনিবার রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে লিমা আত্মহত্যা করেছে মর্মে ফাঁসির ছবি তুলে লিমার পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেয় সাকিল।

পরে খবর পেয়ে চট্টগ্রাম ইপিজেড থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট এবং ঘটনার বিস্তারিত জেনে মৃত্যুটি রহস্যজনক হওয়ায় সাকিলকে আটক করে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
লিমার পরিবারের দাবি, লিমাকে হত্যা করে ফাঁসির মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে ছবি তুলে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছিল সাকিল।

এদিকে লিমার বাবা সোমবার সুন্দরগঞ্জ থানায় অভিযোগ করলে, পুলিশ চট্টগ্রাম ইপিজেড থানার সাথে যোগাযোগ করে আটক সাকিল এবং লাশ সুন্দরগঞ্জে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে।

সুন্দরগঞ্জ থানার মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হারুন-আর রশিদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লিমার মৃত্যুটি রহস্যজনক। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে সত্যটা বেরিয়ে আসবে।