নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার হাসর গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনকে (৩০) চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে উধাও হয়ে গেছে তার নববধূ। এ ব্যাপারে সাজ্জাদের মা রৌশন আরা বেগম বাদি হয়ে চাটখিল থানায় গত বুধবার বিকেলে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, চাটখিল উপজেলার বানসা গ্রামের সফিউল্যা বেপারি বাড়ির আবদুল জলিলের মেয়ে শারমিন আক্তারের (২১) সাথে সাজ্জাদের গত শুক্রবার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর সাজ্জাদ তার স্ত্রী শারমিনকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গত মঙ্গলবার বেড়াতে যান। সেখানে স্ত্রী শারমিন আক্তার রাতে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে পরিবারের সবার অগোচরে উধাও হয়ে যায়। এ সময় শারমিন ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, ৫০ হাজার টাকা ও বিদেশী ১৫ হাজার রিয়াল (বাংলাদেশী মুদ্রায় তিন লাখ ৩০ হাজার) টাকাসহ মোট ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
অভিযোগে সাজ্জাদের মা আরো বলেন, তিনি সকালে সংবাদ পেয়ে সাজ্জাতের শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে তার ছেলেকে অজ্ঞান অবস্থায় পান। পরে তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। বর্তমানে সাজ্জাদ সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে শারমিনের আবা আবদুল জলিলের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে তাকে পাওয়া না গেলেও তার বড় মেয়ে রুমি ফোন রিসিভ করে শারমিন পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, কোথায় বা কার সাথে, সে পালিয়ে গেছে তা আমাদের জানা নেই।
চাটখিল থানার ওসি অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।